ছিটা রুটি / ছিটা পিঠা তৈরির সহজ রেসিপি !!

কেউ একে “ছিটা রুটি” বলেন, তবে নোয়াখালী অঞ্চলে এটিকে “ছিটা পিঠা” বলে। আবার কেউ ছটকা রুটিও বলেন। আমার ঘরে রুটি হিসাবেই বেশী জনপ্রিয়, বিশেষ করে ভুনা মাংস কিংবা মাংসের ঝোলের সাথে সালাদ সহ গরম গরম ছিটা রুটি খুবই প্রিয়। এছাড়াও জ্বাল দেয়া খেজুরের রসে চুবিয়েও চিটা রুটি খাওয়া হয় আমাদের নোয়াখালীতে, কখনো আবার খেজুরের রসে নারকেল সহ। বিকেলে কিংবা সকালের নাস্তায়, গরম গরম হলে, আহ-হ-হ… কি মজার এই ছিটা রুটি। কি ট্রাই করেই দেখুন না, চলুন দেখেনি ছিটা রুটি / ছিটা পিঠা তৈরির সহজ রেসিপিটা।

উপকরণঃ

চালের গুড়া – ২ কাপ (এতে ১২-১৫ টি রুটি হতে পারে)
পানি – ৩ কাপ
ডিম – ১ টা ডিমের অর্ধেকটা ফেটানো
লবন পরিমানমতো
তেল পরিমানমতো

প্রস্তুত প্রণালীঃ

– বাটিতে পরিমানমতো লবন এবং ৩ কাপ পানি দিন, ভাল করে মেশান। লবন-পানি মিশে গেলে ২ কাপ চালের গুড়া দিয়ে মিশিয়ে নিন ভাল করে। পাতলা মিশ্রণ তৈরী হবে।

– মিশ্রণটির সাথে ১ টি ডিমের অর্ধেকটা ভাল করে মিশিয়ে নিন। এই অবস্থায় মিশ্রণটি ১৫ মিনিট রেখে দিন।

– ১৫ মিনিট পর একটি কড়াইতে তেলের প্রলেপ দিয়ে মিশ্রণটির মধ্যে হাত চুবিয়ে কড়াইতে ছিটা দিন, অর্থাৎ আঙ্গুল গুলো প্রলেপ দেয়া তেলের উপর ঝেড়ে নিন। এভাবে প্রতি রুটির জন্য ৩/৪ বার মিশ্রণটিতে হাত চুবিয়ে পরপর কড়াইতে ছিটা দিন। চুলার আঁচ কমানো থাকবে। রুটি যেন পুড়ে না যায় খেয়াল রাখবেন। রুটি হয়ে গেলে আলতো করে রুটির কোনায় খোঁচা দিয়ে তুলে নিন যেন ভেঙ্গে না যায়। এমনিতেই রুটি খুব পাতলা হবে তাই ভেঙ্গে গেলে ভাল দেখায় না।

– এভাবে প্রতিবারে তেলের হালকা প্রলেপ দিয়ে ৩/৪ বার ছিটা দিয়ে পাতলা করে রুটি তৈরী করুন। রুটি গুলো যেন গরম থাকে এমন কিছুতে তুলে রাখুন পরিবেশনের আগে পর্যন্ত।

– মিশ্রণটি জমে যাওয়ার মতো হলে আবার ভালভাবে মিশিয়ে নিন, প্রয়োজন হলে আরেকটু পানি (সামান্য) মিশিয়ে ভাল করে নেড়ে নিতে পারেন, তরল হয়ে উঠবে।

– ছিটা রুটির সাথে গরম গরম ভূনা মাংস বা মাংসের ঝোল সহ পরিবেশন করুন, পছন্দ অনুযায়ী সালাদ হতে পারে। আর শীতে হলে একটু ঘন করে জ্বাল দেয়া খেজুরের রসের সাথে পরিবেশন করতে পারেন, এই রসে একটু নারকেল কুরানো দিতে পারেন।

নিয়মিত আপডেট পেতে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন