প্রান কোম্পানি এইটা কি বিজ্ঞাপন বানাইলো, দেখুন ভিডিও সহ !!

বি: দ্র : ই্উটিউব থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ই্উটিউব চ্যানেল এর ।

এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিষ্ট নয় এবং আমাদের পেইজ কোন প্রকার দায় নিবেনা। ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে। প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ।

বিস্তারিত ভিডিওতে দেখুন। নিচে ভিডিওটি দেওয়া হলো।

দুটি সেক্স পজিশন !! মেয়েরা সহজে অরগাজম পায় !!

আজকেও আমি আপনাদের দুটি সেক্স পজিশন ব্যাখ্যা করব যাতে মেয়েরা সহজে অরগাজম পায় ।
আসুন জেনে নেওয়া যাক : –

ক. ডগি স্টাইলঃ এই আসনটি মেয়েদের জন্যে খুবই উপযুক্ত কারন এতে মেয়েটি তার ইচ্ছামত সেক্সের
সময় মুভমেন্ট করতে পারে, পেনিস কে তার যোনির ভিতর ইচ্ছামত নাড়াচাড়া করিয়ে নিতে পারে ।

যৌনক্রিয়ার
বেগও নিজের ইচ্ছামত নিয়ন্ত্রন করতে পারে । এর সাথে সাথে পুরুষের সুবিধা হচ্ছে সে ইচ্ছামত খুব সহজে নারীর ””জি স্পট”’ এ স্পর্শ করতে পারে এবং হাত দিয়ে নারীর ক্লাইটরিস বা ভগ্নাংকুরে ঘর্ষণ করে নারীকে ইচ্ছামত মজা দিতে পারে । নারী নিজেও নিজের ভগ্নাংকুরে ইচ্ছামত হাত দিয়ে ঘর্ষণ করতে পারে । এতে নারীর খুব দ্রুত অরগাজম হতে পারে । কৌশল খুবই সাধারনঃ

১. মেয়ে দুই হাত এবং দুই হাঁটুর উপর ভর করে উপুড় হবে । চারপেয়ে প্রাণীর মত ।
২. পুরুষ পিছনে দুই বা এক হাঁটুর উপর ভর করে দাঁড়াবে ।
৩. পুরুষ এক বা দুই হাতে নারীর কোমর জড়িয়ে ধরবে ।
৫. এবার পুরুষাঙ্গ যোনির মধ্যে প্রবেশ করান ।
৪. এরপর দুজনই দুজনের সাথে মিল রেখে সামনে পিছনে কোমর দোলাতে শুরু করবে ।
৫. মাঝে মাঝে স্পিড বাড়ান আবার মাঝে মাঝে কমিয়ে দিন । এতে সেনসেশন বেশি হবে ।
৬. পুরুষ বা নারী এক হাতে ভগ্নাংকুর বা ক্লাইটরিসে ঘর্ষণ করুন । এতে সেনসেশন দ্বিগুণ হয়ে যাবে ।

খ. গার্ল অন টপঃ এই পদ্ধতি রিভার্স কাউগার্ল পদ্ধতির মতই । কিন্তু এই পদ্ধতিতে নারীর মুখ আর পুরুষের মুখ একই দিকে থাকবে । এই পদ্ধতির সবচে বড় সুবিধা হল ভগ্নাঙ্কুর বা ক্লাইটরিস এ খুব সহজে পেনিস স্পর্শ
করতে এবং ঘষা খেতে পারে । এজন্যে মেয়ের অরগাজম খুব তাড়াতাড়ি আসে ।কিভাবে করবেন জেনে নিনঃ

১. প্রথমে পা ছড়িয়ে বসুন বা শুয়ে পড়ুন ।
২. এরপর আপনার মেয়ে সঙ্গীকে আপনার উপরে বসান । সে হাঁটু গেড়ে পা ভাজ করে বসবে ।
৩. মেয়ের মুখ আপনার মুখের দিকে থাকবে ।
৪. পুরুষাঙ্গ যোনিতে প্রবেশ করান ।
৫. এবার মেয়ে ঘোড়া চড়ার ভঙ্গিতে উঠানামা করবে ।
৬. আপনিও নিচে থেকে উপরের দিকে পুশ (push) দিন ।
৭. মেয়ের প্রথমদিকে উঠানামা করতে অসুবিধা হতে প সেক্ষেত্রে আপনি তার হিপ (hip) পশ্চাৎদেশ ধরে তাকে উঠানামা করতে সাহায্য করুন । কিছুক্ষন পরেই দেখবেন ছন্দ চলে এসেছে ।

নিয়মিত আপডেট পেতে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন