যে নামাজে পাওয়া যাবে পরিপূর্ণ হজ ও ওমরাহর সওয়াব ।

আমরা হয়তো অনেকেই জানি না, যে নামাজে পাওয়া যায় পরিপূর্ণ হজ ও ওমরাহর সওয়াব। একটু কষ্ট হলেও ফজরের নামাজ আদায় করে সূর্যোদয় পর্যন্ত বসে আল্লাহর জিকিরে মশগুল থাকার চেষ্টা করি।

হজরত আনাস (রা.) হতে বর্ণিত, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ জামাতে আদায় করে, অতঃপর সূর্যোদয় পর্যন্ত বসে আল্লাহর জিকিরে থাকে, এরপর দুই রাকাত নামাজ আদায় করে, সে পরিপূর্ণ একটি হজ ও ওমরাহর সওয়াব পাবে।(তিরমিজি : ৫৮৬)

এ ছাড়াও গোপনে নফল পড়ার ফজিলত অনেক বেশি।  রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘জনসম্মুখের তুলনায় লুকিয়ে নফল নামাজ পড়ার মধ্যে ২৫ গুণ বেশি সওয়াব।

নামাজের পাশাপাশি সর্বদা মানুষের উপকার করতে হবে এবং এতেও অনেক সোয়াবের অধিকারি হয়া যাবে। মানুষের উপকার করার ফজিলত : রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘কোনো মুসলিম ভাইয়ের প্রয়োজনে কিছুক্ষণ সময় দেয়া আমার কাছে এক মাস মসজিদে ইতেকাফ করার চেয়েও বেশি পছন্দনীয়। (আল মু’জামুল কাবির : ১৩৬৪৬)

কেউ যদি কন আমল করার নিয়ত করে তবে আমলের নিয়তেও সওয়াব মেলে। রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যদি কোনো ব্যক্তি রাতে শয়নকালে এই নিয়ত করে যে, সে রাতে উঠে নামাজ পড়বে; কিন্তু প্রচণ্ড ঘুমের কারণে সকাল হয়ে যায়, তাহলে সে তার নিয়ত অনুযায়ী নামাজের সওয়াব পাবে। আর ঘুমটা আল্লাহর পক্ষ থেকে তার জন্য সদকাস্বরূপ হবে। (নাসায়ি : ১৭৮৭)

নিয়মিত আপডেট পেতে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন