কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার এর সেরা কিছু বানী ।

কবি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার (১৮৩৪ – ১৯০৭) বাঙালি স্বনামধন্য কবি। কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার অধুনা বাংলাদেশের খুলনা জেলার সেনহাটিতে জন্ম গ্রহণ করেন। পিতা মাণিক্যচন্দ্র। তিনি “কবিতা কুসুমাবলি” নামে একটি কবিতা-প্রধান পত্রিকা প্রকাশ করেন (১৮৬০)। তাঁর প্রথম ও শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ “সদ্ভাব শতক” (ঢাকা ১৮৬১)। বইটির অধিকাংশ কবিতা নীতিমূলক, সফী এবং হাফিজের ফার্সি কবিতার অনুসরণে রচিত। তাঁর আত্মকথা “রা.সের ইতিবৃত্ত” (১৮৬৮) অকপট আত্মবিবরণের আদর্শস্থানীয়। তাঁর প্রবন্ধাবলী, “কৈবল্য তত্ত্ব” (কুমারখালি ১৮৮২)। এই গ্রন্থের প্রবন্ধগুলি কাঙাল হরিনাথ – এর গ্রামবার্তা প্রকাশিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।

০১. যে প্রেমিক সাহস-মাতঙ্গপরি চড়ি সহিষ্ণুতা দৃঢ়বর্মে সর্বাঙ্গ আবরি, নির্ভয়ে প্রবেশে প্রেম-বিপিন মাঝার,
নিরাশা-কন্টক নাহি ফুটে দেহে তার; বিরহ-শার্দুল নারে গ্রাসিবারে তায়, প্রিয়-প্রেম-সুখ-মৃগ দরিতে সে পায় !!

০২. আজ কেন তোমা হেরি দীনা ক্ষীণা অতি? !!

০৩. শুনহে হে ভাবুক এই জানিবে নিশ্চয়, চিরদিন একদশা কাহারো না রয় !!

০৪. দেখি তথা এক জন, পদ নাহি তার, অমনি ‘জুতো’র খেদ ঘুচিল আমার, পরের অভাব মনে করিলে চিন্তন
নিজের অভাব ক্ষোভ রহে কতক্ষণ? !!

০৫. একদা ছিল না ‘জুতো’ চরণ-যুগলে দহিল হৃদয় মম সেই ক্ষোভানলে। ধীরে ধীরে চুপি চুপি দুঃখাকুল মনে, গেলাম ভজনালয়ে ভজন কারণে !!

০৬. যতদিন ভবে, না হবে না হবে, তোমার অবস্থা আমার সম। ঈষৎ হাসিবে, শুনে না শুনিবে বুঝে না বুঝিবে, যাতনা মম !!

০৭. এই যে বিটপি-শ্রেণী হেরি সারি সারি- কী আশ্চর্য শোভাময় যাই বলিহারি কেহ বা সরল সাধু-হৃদয় যেমন, ফল-ভারে নত কেহ গুণীর মতোন !!

০৮. একদা ছিল না ‘জুতো’ চরণ-যুগলে দহিল হৃদয় মম সেই ক্ষোভানলে। ধীরে ধীরে চুপি চুপি দুঃখাকুল মনে, গেলাম ভজনালয়ে ভজন কারণে !!

০৯. দেখি তথা এক জন, পদ নাহি তার, অমনি ‘জুতো’র খেদ ঘুচিল আমার, পরের অভাব মনে করিলে চিন্তন
নিজের অভাব ক্ষোভ রহে কতক্ষণ? !!

১০. শুনহে হে ভাবুক! এই জানিবে নিশ্চয়, চিরদিন একদশা কাহারো না রয় !!

১১. আজ কেন তোমা হেরি দীনা ক্ষীণা অতি? !!

১২. যে প্রেমিক সাহস-মাতঙ্গপরি চড়ি সহিষ্ণুতা দৃঢ়বর্মে সর্বাঙ্গ আবরি, নির্ভয়ে প্রবেশে প্রেম-বিপিন মাঝার,
নিরাশা-কন্টক নাহি ফুটে দেহে তার; বিরহ-শার্দুল নারে গ্রাসিবারে তায়, প্রিয়-প্রেম-সুখ-মৃগ দরিতে সে পায় !!

নিয়মিত আপডেট পেতে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন