কেউ চাইলেই কি মানুষের ক্ষতি বা উপকার করতে পারে?

দুনিয়ার সব ভালো কাজের পরামর্শ হলো নসিহত। এমন কিছু নসিহত রয়েছে যা পালনে দুনিয়ার সর্ব শক্তি প্রয়োগে যেমন মানুষের কোনো উপকার করতে পারবে না, আরবার ক্ষতিও করতে পারবে না।

প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার উম্মতের জন্য এ রকম একটি নসিহতমূলক হাদিস বর্ণনা করেছেন। যা প্রত্যেক মানুষের জন্য যথাযথ পালন করা আবশ্যক ও ঈমানের দাবি।

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন আমি একদিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পেছনে (আরোহী) ছিলাম। তিনি বললেন, হে বালক! আমি তোমাকে কিছু কালেমা শিখিয়ে দিচ্ছি-
> ‌আল্লাহর বিধি-বিধানের হেফাজত করবে। তাহলে তিনি তোমার হেফাজত করবেন।
> আল্লাহর সন্তুষ্টির ব্যাপারে সব সময় খেয়াল রাখবে, তাহলে তাকে তুমি তোমার সামনে পাবে।
> যখন সাহায্যের প্রয়োজন হবে তখন আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইবে।

মনে রাখা জরুরি…

– (পৃথিবীর) সব লোক যদি তোমার উপকারে জড়ো হয়; তারা কোনো উপকারই করতে পারবে না। আল্লাহ যা তোমার তকদিরে নির্ধারিত করে রেখেছেন, তা ব্যতিত।
– আর সব লোক যদি জড়ো হয়ে তোমার ক্ষতি করার চেষ্টা করে, তবে তারাও ক্ষতি করতে পারবে না। আল্লাহ তাআলা তোমার জন্য যে ক্ষতি নির্ধারণ করে রেখেছেন, তা ব্যতিত।

কেননা কলম উঠিয়ে নেয়া হয়েছে, কাগজ শুকিয়ে গেছে।’ (তিরমিজি)

আল্লাহ তাআলা মানুষের জন্য যে জীবন বিধান (কুরআনুল কারিম) পাঠিয়েছেন, তা অনুযায়ী জীবন পরিচালনাই হচ্ছে আল্লাহর বিধানের হেফাজ।

প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দিক-নির্দেশনা মোতাবেক কুরআনের বিধান পালনেই রয়েছে আল্লাহর সন্তুষ্টি।

আর সে কারণেই আল্লাহর প্রিয়বান্দাগণ সুখে দুঃখে সর্বাবস্থায় আল্লাহর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করে। আল্লাহর দান কম বা বেশি হোক তাতে সন্তুষ্ট থাকে।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে হাদিসের আলোকে কুরআনের বিধি-বিধানের হেফাজতের মাধ্যমে তার সন্তুষ্টি অর্জন ও সাহায্য লাভ করার তাওফিক দান করুন। দুনিয়ার যাবতীয় ক্ষতি থেকে নিজেদেরকে হেফাজত করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

নিয়মিত আপডেট পেতে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন