এই সেই স্থান, যেখানে দাঁড়িয়ে আমার দীনের নবী (সা.) অঝরে কেঁদেছিলেন!

আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) দীন প্রতিষ্ঠার জন্য জীবনে অনেক কষ্ট করে গেছেন। তবে নবীজী (সা.) এর জীবনে এমন একটা দিন এসেছিল যেদিন আমাদের দীনের নবী (সা.) অঝরে কেঁদেছিলেন।

মুসলিম শরীফে বর্ণিত আছে, একদিন মায়ের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে রাসুলের (সা.) কান্না দেখে নির্বাক হয়ে পড়েছিলেন সাহাবায়ে কেরাম, রাসুলের কান্নায় তারাও কেঁদেছিলেন সেদিন।

আর কোনোদিন কোথাও তাকে এভাবে কেউ কাঁদতে দেখেনি, মায়ের জন্য আপ্লুত হয়ে তিনি যেভাবে কেঁদেছিলেন।(মুসলিম, মুসনাদে আহমদ) মায়ের প্রতি রাসুলের ভালোবাসা ও সদাচারের জন্য রাসুল (সা.) এর তাগিদ দেখে সাহাবায়ে কেরামও নিজেদের মায়ের প্রতি ছিলেন পরম বিনয়ী ও সদাচারী।

রাসুল (সা.) বলেছেন, মা বাবার প্রতি ভালো ব্যবহারের শেষ সীমানা হল, তাদের যারা বন্ধুবান্ধব ছিলেন, তাদেরও সম্মান করা, ভালোবাসা ও দয়া করা। (মুসলিম) অন্যত্র আবু হুরাইরা (রা.) বর্ণিত, বাবার সম্মানের চেয়ে মায়ের সম্মান ও শ্রদ্ধা তিনগুণ বেশি।হযরত আবু হুরাইরা (রা.) যখনই কোথাও যাওয়ার জন্য ঘর থেকে বের হতেন, ডাক দিয়ে বলতেন !

মা আমার! তোমরা জন্য সালাম! আল্লাহ পাক তোমাকে রহমত দিয়ে ঘিরে রাখুন যেভাবে তুমি আমাকে ছোটবেলায় লালন পালন করেছিলে। ’তার মা তখন সাড়া দিয়ে বলতেন, ‘ছেলে আমার! আল্লাহ তোমাকেও রহমত দান করুন যেভাবে তুমি আমাকে এই বুড়ো বয়সে সেবাযত্ন করছো।’ (বুখারী ও মুসলিম শরীফ)।

সূরা ইখলাস পাঠ এক-তৃতীয়াংশ কোরআন তেলাওয়াতের ! সমতুল্য সূরা ইখলাস মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। আয়াত সংখ্যায় ৪টি, রুকু ১টি। এটি কোরআন শরিফের ১১২ নম্বর সূরা।

ত্রিশ নম্বর পারার শেষের দিকে এই সূরাটি আছে। এই সূরাকে ‘কুলহু আল্লাহু আহাদ…’ সূরাও বলা হয় মক্কার মুশরিকরা হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আল্লাহতায়ালার বংশ পরিচয় সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে সূরা ইখলাসের মধ্যে আল্লাহ তার পরিচয় বর্ণনা করেছেন। আল্লাহতায়ালা নিজে জানিয়েছেন, তার কোনো শরিক নেই। তিনি কারো মুখাপেক্ষী নন। তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কারো থেকে জন্ম নেননি।

সূরা ইখলাসে আল্লাহর তাওহিদের (একত্ববাদের) পরিচয় রয়েছে। পাশাপাশি আল্লাহর একত্ববাদ ও অসীম ক্ষমতার পরিচয়ও পাওয়া যায়। সূরা ইখলাসের মর্তবা-মর্যাদা অল্প কথায় বর্ণনা করে শেষ করা যাবে না।

নিয়মিত আপডেট পেতে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন