ওজন কমানোর কৌশল !

ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য সময় মতো খাওয়া ও বেশি রাতে খাবার না খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে জানা যায়।অনেকেই জানেন যে, কোনো এক বেলার খাবার খাওয়া বাদ দেওয়া হলে তা ওজন কমানোর পরিকল্পনাকে নষ্ট করে দেয়।নিউ অর্লিন্স’য়ে অনুষ্ঠিত ‘দ্যা অ্যানুয়াল ওবিসিটি মিটিং’য়ে উপস্থাপিত এক গবেষণা থেকে জানা যায়, ‘উপবাসের গুরুত্ব অনেক ক্ষেত্রেই বাদ দিয়ে দেওয়া হয়।’

গবেষণায় দেখা যায়, প্রতিদিন অল্প পরিসরে খাবার খাওয়া এবং বিকালের খাবার বাদ দেওয়া স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘ওয়েবএমডি’তে প্রকাশিত এই গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, অতিরিক্ত ওজনদার ব্যক্তিরা খাওয়ার পরিমাণ কমায়, সন্ধ্যায় খাবার না খেয়ে ক্ষুধা কমিয়ে আনে এবং রাতে বেশি চর্বি খরচ করতে পারে।

তবে এই পদ্ধতিতে রাতে চর্বি বেশি খরচ হলেও সামগ্রিকভাবে খুব একটা কার্যকর নয়। তাই এই পদ্ধতিকে এখনও ওজন কমানোর গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি হিসেবে বিবেচনা করা যায় না।গবেষণার লেখক কোর্টনি পিটার্সন সম্প্রতি একটি ইমেইলের মাধ্যমে ‘মেডিকেল ডেইল’কে জানান, “এভাবে মোট চর্বির পরিমাণ কমানো যায় কনা সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত নই।”

রাতে না খাওয়া সত্যি ওজন কমানোর জন্য কার্যকর কিনা সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট ধারণা না থাকলেও পুষ্টি চাহিদা পূরণে এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।উদাহরণ হিসেবে ‘মেডিকেল ডেইলি’তে পিটার্সন বলেন, “দৈনিক ১৮ ঘন্টা উপবাস থাকার পরও অংশগ্রহণকারীরা গড় হিসাবে ক্ষুধার্ত হওয়া বা অন্য কোনো উপায়ে ক্ষুধা নিবারণ করার বিষয়ে কোনো রকম রিপোর্ট না করায় আমি অবাক হয়েছি।”

পিটার্সন আরও লেখেন যে, “প্রতিদিন বেশি সময় না খেয়ে থাকলে (শুধু নির্দিষ্ট সময়ে একই পরিমাণ ক্যালরি গ্রহণ করা হলে) একজন ব্যক্তির স্বাভাবিক ক্ষুধা সৃষ্টি হয়।”যদিও উপবাস বা নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খাওয়া পাইলট মডেলে কার্যকর হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। তারপরও এটা মানব প্রজন্মের জন্য কতটা কার্যকর সে বিষয়ে গবেষণা এখনও প্রাথমিক পর্যায়েই রয়েছে।

উদাহরণ স্বরূপ- সময় মতো খাবার খাওয়া হলে তা মানুষের ওজন কমাতে সাহায্য করে।পিটার্সনের মতে, “এটা সুস্থ জীবনযাপনের জন্য উপকারী। যেমন- খাবারের সামগ্রিক চাহিদা কমায়, এবং সপ্তাহে কয়েকদিন খাবার খাওয়ায় একটু সংযম অনুশীলন করলে তা স্বাস্থ্যের জন্য বেশি উপকারী।”পিটার্সন আরও জানান “এটাকে স্বল্প সময় বা দীর্ঘ সময়ের জন্য অনুশিলন করা যেতে পারে।।”