মাশরাফির জীবনের ৩৪ ইনিংস শুরু। পড়লে অবাক হবেন মাশরাফির সেই মূল্য বান বক্তব্যটি।

তখনো প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট ম্যাচ খেলাই হয়নি তাঁর। অথচ এর আগেই টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক হয়ে যায় মাশরাফি বিন মুর্তজার। ২০০১ সালের নভেম্বরে ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নামেন তিনি।

সেই যে শুরু, এর পর অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে এখন মাশরাফি বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাফল্যের অন্যতম নায়ক। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে তাঁর অধিনায়কত্বে বাংলাদেশ এমন কিছু সাফল্য পেয়েছে, যা স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

বুধবার সেই অধিনায়ক মাশরাফির জন্মদিন। ১৯৮৩ সালের ৫ অক্টোবর নড়াইলে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ৩৩ পেরিয়ে তিনি পা রাখলেন ৩৪ বছরে।

মাশরাফির ছোটবেলাটা কেটেছে নড়াইলে। স্কুল পালিয়ে চিত্রা নদীতে সাঁতার কাটা, ফুটবল আর ব্যাডমিন্টন খেলেই তাঁর শৈশব কেটেছে। এর পর ক্রিকেটের আসক্তি বেড়ে যায় তাঁর।

নড়াইল থেকে এসে সুযোগ পান বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলে। তার পর জাতীয় দলে ডাক পেতে বেশি দিন সময় লাগেনি তাঁর। বোলিং-বৈচিত্র্য দিয়ে সুযোগ করে নেন জাতীয় দলে।

জাতীয় দলে সুযোগ পেয়ে মাশরাফি হয়ে যান বাংলাদেশ দলের প্রধান অস্ত্র। নামের পেছনে যোগ হয় ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’। এর পর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে।

তবে গত ১৫ বছরের ক্যারিয়ারে অনেক প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করতে হয়েছে মাশরাফিকে। চোটের কারণে তাঁর দুই হাঁটু সাতটি অস্ত্রোপচারের ধকল সহ্য করেছে। তারপরও লড়াই করে আবার ফিরেছেন জাতীয় দলে।

মাশরাফির অধিনায়কত্বে গত বছর অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দারুণ সাফল্য পেয়েছিল। বাংলাদেশ উঠেছিল কোয়ার্টার ফাইনালে। এর পর ঘরের মাঠে পাকিস্তান, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ জিতেছে।

এই সাফল্যে র‍্যাঙ্কিংয়েও বাংলাদেশের দারুণ উন্নতি হয়েছে। প্রথমবারের মতো ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ উঠেছে সাতে।

নিয়মিত আপডেট পেতে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন